কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬ এ ০৬:৩১ PM

সিলেট অঞ্চলে সম্ভাবনাময় ফল ( জি-নাইন কলা) চাষ করেছেন বাহুবলের কৃষক মতিন

কন্টেন্ট: খবর প্রকাশের তারিখ: ২৩-০৮-২০২৬ আর্কাইভ তারিখ: ৩১-১২-২০২৬

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার মিরপুর ইউনিয়নের পশ্চিম জয়পুর গ্রামের কৃষক মো. মতিন মিয়া উন্নত জাতের জি-নাইন (জি-৯) কলা চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন। তার ৩০ শতকের প্রদর্শনী প্লট দেখে স্থানীয় অন্য কৃষকেরাও এ জাতের কলা চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন সরেজমিনে দেখা যায়, বাড়ির সামনে প্রায় ৩০ শতক জমিতে সারিবদ্ধভাবে জি-নাইন জাতের কলাগাছ লাগানো হয়েছে। অধিকাংশ গাছেই বড় বড় কলার ছড়া ঝুলছে। কোথাও নতুন করে মোচাও বের হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা খেতটি দেখতে আশপাশের গ্রামের কৃষকেরা আসছেন। তারা ফলন, পরিচর্যা ও বাজারজাতকরণ সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন।

ফ্রিপ প্রকল্পের আওতায় গত বছরের নভেম্বর মাসে ওই জমিতে ৮০টি জি-নাইন কলার চারা রোপণ করেন মতিন মিয়া। জমির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কলার সঙ্গে সাথি ফসল হিসেবে মাসকলাই চাষ করেন তিনি। মাসকলাই সংগ্রহের পর একই জমিতে লেবুর চারা রোপণ করেছেন।

মতিন মিয়া বলেন উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় তিনি জি-নাইন কলার চাষ শুরু করেন। কৃষি অফিস থেকেই কলার চারা পেয়েছেন। নিজের পক্ষ থেকে পরিচর্যা, সারসহ অন্যান্য কাজে প্রায় ৭ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বর্তমানে গাছে গাছে কলার ছড়া এসেছে এবং কিছু কলা বিক্রিও শুরু করেছেন। অনেকে চারা কেনার জন্য যোগাযোগ করছেন। এ মৌসুমে কলা ও চারা বিক্রি করে লক্ষাধিক টাকা আয় করার আশা কর

de01b507-8dbe-4eb3-8d26-208957a72672

মতিন মিয়া বলেন, নতুন জাত হওয়ায় শুরুতে কিছুটা শঙ্কা ছিল। তবে কৃষি বিভাগের নিয়মিত পরামর্শ ও তদারকির কারণে কোনো সমস্যায় পড়তে হয়নি। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. শামিমুল হক শামীম নিয়মিত খোঁজখবর নিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়েছেন

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. শামিমুল হক শামীম বলেন, জি-নাইন জাতের কলা দেশে তুলনামূলক নতুন হলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এটি জনপ্রিয়। বাহুবলের মিরপুর ইউনিয়নে প্রথমবারের মতো এ জাতের কলার প্রদর্শনী প্লট করা হয়েছে। কৃষকের জন্য টিস্যু কালচারের উন্নতমানের চারা সংগ্রহ করে দেওয়া হয়েছে এবং শুরু থেকেই কারিগরি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ফাইল ১
ফাইল ২
ফাইল ৩

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন